ব্যবসায়ীকে অপহরণের পর দু’বছর ধরে ব্ল্যাকমেইল, মূলহোতা পলাতক
BANGLAR NARAYANGANJ | Banglar Narayanganj প্রকাশিত: Apr 19, 2026
নারায়ণগঞ্জের ব্যবসায়ী মোহাম্মদ সোহাগকে অপহরণের সময় তার ব্যবহৃত দুটি মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে সেই ফোনের ব্যক্তিগত তথ্য ব্যবহার করে প্রায় দুই বছর ধরে ব্ল্যাকমেইল ও হুমকি দিয়ে আসছে একটি সংঘবদ্ধ চক্র।মামলার নথি ও ভুক্তভোগীর অভিযোগ অনুযায়ী, অপহরণের মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে আল আমিন ওরফে জিতুর নাম উঠে এসেছে। এ ছাড়া চক্রে জড়িতদের মধ্যে রয়েছেন কবির হালদার (৩৯), লতিফ সিদ্দিকী রতন (৩৩), সাব্বির আহমেদ (৩০), ইব্রাহিম খলিল (৩১) ও ইমরান হোসেন মোহন। তাদের মধ্যে কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হলেও জিতুসহ অন্যরা এখনও পলাতক।
ভুক্তভোগী মোহাম্মদ সোহাগ জানান, অপহরণের সময় তার দুটি মোবাইল ফোন নিয়ে নেয় আসামিরা। পরে সেই ফোন থেকে ব্যক্তিগত তথ্য, ডকুমেন্ট ও যোগাযোগের তথ্য সংগ্রহ করে তাকে লক্ষ্য করে পরিকল্পিতভাবে অনলাইনভিত্তিক ব্ল্যাকমেইল শুরু করে চক্রটি।
তিনি বলেন, “চক্রটি বিভিন্ন সময় সাংবাদিক, ক্রাইম রিপোর্টার বা অনলাইন মিডিয়াকর্মী পরিচয়ে যোগাযোগ করে। ভুয়া নাম ব্যবহার করে বারবার মেসেজ পাঠানো হয়। নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা না দিলে ব্যক্তিগত তথ্য ও ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও অনলাইন নিউজে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হচ্ছে।”
ভুক্তভোগীর অভিযোগ, দেশি-বিদেশি, বিশেষ করে মালয়েশিয়াভিত্তিক একাধিক নম্বর ব্যবহার করে কল ও মেসেজ পাঠানো হচ্ছে। মেসেঞ্জার, হোয়াটসঅ্যাপসহ বিভিন্ন ডিজিটাল মাধ্যমে এই যোগাযোগ চালানো হচ্ছে। গত প্রায় দুই বছর ধরে একইভাবে তাকে হয়রানি করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
এ ঘটনায় সোহাগ ইতোমধ্যে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই), ডিটেকটিভ ব্রাঞ্চ (ডিবি), স্পেশাল ব্রাঞ্চ (এসবি) ও জেলা পুলিশের কাছে অভিযোগ দিয়েছেন। সংশ্লিষ্ট মোবাইল নম্বর, মেসেজ ও অন্যান্য ডিজিটাল তথ্য ফরেনসিক বিশ্লেষণের জন্য জমা দেওয়া হয়েছে।
মামলার তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের ১ জুন নারায়ণগঞ্জের সরকারি তোলারাম কলেজের সামনে থেকে মোহাম্মদ সোহাগকে অপহরণ করা হয়। এ ঘটনায় তাঁর স্ত্রী তানিয়া আহম্মেদ ফতুল্লা থানায় মামলা করেন। তদন্তে গ্রেপ্তার হওয়া কয়েকজন আসামি আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় দেওয়া জবানবন্দিতে জিতুকে মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে উল্লেখ করেন।
ভুক্তভোগী জানান, দীর্ঘদিনের ব্ল্যাকমেইল ও হুমকির কারণে তিনি ও তার পরিবার চরম মানসিক চাপে রয়েছেন। ইতোমধ্যে তিনি ৪ থেকে ৫টি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একটি সূত্র জানায়, পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। একই সঙ্গে ডিজিটাল ফরেনসিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে চক্রটির কার্যক্রম ও নেটওয়ার্ক শনাক্তের চেষ্টা করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ব্যবসা ও বানিজ্য বিভাগের আরো খবর
-
দশ বছর ধরে দুর্গোৎসবে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সহযোগিতা করছেন কাউন্সিলর প্রার্থী দিদার
-
জাকির খান আমাকে কাউন্সিলর প্রার্থী হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন : দিদার খন্দকার
-
প্রকাশ্যে গুলি করে শীর্ষ সন্ত্রাসীকে হত্যার অভিযোগ
-
সদর উপজেলাতে ধারাবাহিকভাবে খেলাধুলা পরিচালনার চেষ্টা থাকবে : রিয়াদ চৌধুরী
-
পিস্তল-শটগান ফেরত পেয়ে এমপি ও ডিসি-এসপিকে সোহাগের ধন্যবাদ
-
মতিন চৌধুরী ও জাকির খান ছিলেন নানা-নাতি : দিদার খন্দকার
-
আ. লীগ আমলে কারবরণ করা ব্যক্তি কিভাবে ওই দলের অর্থদাতা হয়, প্রশ্ন সেলিম প্রধানের স্ত্রীর
-
গুপ্তদের কঠোর হুঁশিয়ারি দিলেন মামুন মাহমুদ
-
সরকারের ইতিবাচক উদ্যোগ দেশবাসীর মনে নতুন আশার সঞ্চার করেছে : আজাদ
-
চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে উদ্যোক্তারা নিজেকে ধীরে ধীরে গড়ে তোলেন : মোহাম্মদ সোহাগ
-
পিস্তল-শটগান ফেরত পেয়ে এমপি ও ডিসি-এসপিকে সোহাগের ধন্যবাদ
-
আ. লীগ আমলে কারবরণ করা ব্যক্তি কিভাবে ওই দলের অর্থদাতা হয়, প্রশ্ন সেলিম প্রধানের স্ত্রীর
-
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে যুবদল নেতা রনির স্যালুট
-
অপহরণ মামলার দ্রুত নিষ্পত্তি চেয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ব্যবসায়ী সোহাগের আবেদন
-
একতা মার্কেট দখলের নেপথ্যে এমপিপুত্র আশার হাত রয়েছে জানালেন হিরন
-
ফতুল্লায় মাদ্রাসা দুর্ঘটনায় দগ্ধ আতিয়ার পর জিদনির মৃত্যু
-
ফ্যাসিস্ট সরকার হিন্দুদের বিএনপি থেকে দূরে রেখেছিল : রাকিব
-
নৈরাজ্যকারীদের প্রতিহত করার হুঁশিয়ারি দিলেন এমপি আজাদ
-
নারায়ণগঞ্জের হিরো মোস্তাফিজুর রহমান ফাউন্ডেশনের রাকিব
-
ফতুল্লায় আ.লীগ-বিএনপির সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধসহ আহত ১০
আপনার মতামত লিখুন :