মালেয়েশিয়ায় থেকেও হত্যা মামলার আসামি হলেন ব্যবসায়ী আক্তার
BANGLAR NARAYANGANJ | Banglar Narayanganj প্রকাশিত: Jun 16, 2026
চিকিৎসা করতে মালয়েশিয়া গিয়েছিলেন নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার ব্যবসায়ী আক্তার হোসেন, সেখানে গিয়ে শুনতে পান তার বিরুদ্ধে হয়েছে হত্যা মামলা। নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা মামুন হোসাইন হত্যা মামলায় প্রধান আসামি করা হয়েছে এই ব্যবসায়ীকে।
সোমবার (১ জুন) দুপুরে নিজের দুঃখের বিষয় জানান মালেয়েশিয়া ফেরত ব্যাবসায়ী আকতার হোসেন।
আকতার হোসেন জানান, ২০২৪ সালের ২৪ ডিসেম্বর চিকিৎসার উদ্দেশ্যে দেশ ত্যাগ করেন এবং দীর্ঘ চিকিৎসা শেষে ২০২৬ সালের ১০ মার্চ দেশে ফেরেন। অন্যদিকে, মামুন হোসাইন ২০২৫ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি ফতুল্লার পূর্ব লালপুর রেললাইন এলাকায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে নিহত হন।
আক্তার হোসেনের দাবি, হত্যাকাণ্ডের পুরো সময় তিনি দেশের বাইরে ছিলেন। পাসপোর্ট ও ইমিগ্রেশন সংক্রান্ত তথ্য পর্যালোচনা করলেই বিষয়টি স্পষ্ট হবে। এরপরও তাকে মামলার প্রধান আসামি করা হয়েছে।
তিনি অভিযোগ করেন, রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে একটি প্রভাবশালী চক্র দীর্ঘদিন ধরে তার পরিবার ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের কাছে চাঁদা দাবি করে আসছিল। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় তাদের বাড়িঘর ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা, ভাঙচুর এবং লুটপাট চালানো হয়। পরে ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন মামলায় তাকে, তার স্বজন ও আত্মীয়দের নাম জড়ানো হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
স্থানীয় সূত্র ও ভুক্তভোগীদের অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর ফতুল্লা ও কাঠেরপুল এলাকায় একটি চক্র সক্রিয় হয়ে ওঠে। ওই চক্রের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ব্যবসায়ীর কাছে চাঁদা দাবির অভিযোগ রয়েছে। সম্প্রতি দেশে ফেরার পর আক্তার হোসেনকে ঘিরে নতুন করে নেতিবাচক প্রচারণাও শুরু হয়েছে বলে জানা গেছে।
আক্তার হোসেন বলেন, “মামুন হত্যার সময় আমি মালয়েশিয়ায় চিকিৎসাধীন ছিলাম। পাসপোর্ট ও ইমিগ্রেশনের তথ্যেই তা প্রমাণিত। তারপরও আমাকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। চাঁদা না দেওয়ায় প্রথমে হামলা-ভাঙচুর চালানো হয়েছে, এখন মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।”
এ বিষয়ে আইনজীবী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক বলেন, অভিযুক্তের বিদেশে অবস্থানের বিষয়টি যদি পাসপোর্ট, ইমিগ্রেশন রেকর্ড ও অন্যান্য নথির মাধ্যমে নিশ্চিত হয়, তাহলে তদন্তকারী সংস্থার উচিত তা গুরুত্বের সঙ্গে যাচাই করা। অন্যথায় তদন্তের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে।
প্রসঙ্গত, মামুন হোসাইন হত্যা মামলার তদন্ত এখনও চলমান রয়েছে। অভিযোগ ও পাল্টা অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণে তদন্ত সংস্থার চূড়ান্ত প্রতিবেদনই হবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি। এদিকে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের একাংশের অভিযোগ, বিভিন্ন মামলায় আসামি করার ভয় দেখিয়ে একটি চক্র চাঁদাবাজির অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
আইন আদালত বিভাগের আরো খবর
-
রাজপথে আন্দোলনে সক্রিয় রনিকে চায় নেতাকর্মীরা
-
শিক্ষাখাতকে আরও উন্নত ও শক্তিশালী করতে হবে: এমপি আজাদ
-
অপহরণের ঘটনা আড়াল করতে জুয়েলের স্ট্যান্ডবাজি
-
নিহতের পরিবারকে সুষ্ঠু বিচারের প্রতিশ্রুতি দিলেন এমপি নজরুল ইসলাম আজাদ
-
পার্লারের কর্মী সেজে দুই গৃহবধূর স্বর্ণালঙ্কার লুট
-
প্রকাশে ঘুরে বেড়াচ্ছে হত্যা মামলার আসামি আবু সুফিয়ান
-
রূপগঞ্জে ১১০৭ বোতল এসকাফ সিরাপসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার
-
বিএনপির দিলুকে ফাঁসাতে ব্যর্থ হয়ে ষড়যন্ত্র
-
সন্ত্রাসী জাহিদ বাহিনীর তান্ডবে বাড়ছে আতঙ্ক
-
ফজলুল হককে এফবিসিসিআইয়ের প্রশাসক নিয়োগে ব্যবসায়ী সোহাগের অভিনন্দন
-
অপহরণের ঘটনা আড়াল করতে জুয়েলের স্ট্যান্ডবাজি
-
নিহতের পরিবারকে সুষ্ঠু বিচারের প্রতিশ্রুতি দিলেন এমপি নজরুল ইসলাম আজাদ
-
পার্লারের কর্মী সেজে দুই গৃহবধূর স্বর্ণালঙ্কার লুট
-
রূপগঞ্জে ১১০৭ বোতল এসকাফ সিরাপসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার
-
সন্ত্রাসী জাহিদ বাহিনীর তান্ডবে বাড়ছে আতঙ্ক
-
ব্রহ্মপুত্র নদের ওপর সেতুর অভাবে ১০ গ্রামের মানুষের দুর্ভোগ
-
বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সীমান্ত হত্যায় তিন ছিনতাইকারীর মৃত্যুদণ্ড
-
পুলিশের সঙ্গে মাদক ব্যবসায়ীদের গোলাগুলি, অস্ত্র সহ আটক ২
-
ফতুল্লায় নারী নির্যাতন মামলার আসামি রাসেল গ্রেপ্তার
-
জাকির খানের সাথে সাক্ষাৎ করলেন দেওভোগ মাদ্রাসার ছাত্র প্রতিনিধিরা
আপনার মতামত লিখুন :