এসআই শামীম আমাকে রোজা রাখতে দেয়নি, ঝুলিয়ে পিটিয়েছে : ভুক্তভোগী জুয়েল
BANGLAR NARAYANGANJ | Banglar Narayanganj প্রকাশিত: Aug 20, 2025
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় মামুন হত্যার ঘটনায় এস আই শামীম কর্তৃক ট্রাক ড্রাইভার জুয়েলকে ফাঁসিয়ে নির্যাতন ও ইলেকট্রিক শক দেওয়ার প্রতিবাদে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রোববার (২২ জুন) দুপুরে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে ট্রাক চালকবৃন্দরা এই এই মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করে প্রতিবাদ জানায়। এ সময় তার পুলিশ কর্মকর্তার সুষ্ঠু বিচার দাবি করেন।
মানববন্ধনে ট্রাক চালক ও ভুক্তভোগী মো. জুয়েল বলেন, গত ১৬ মার্চ আমি আমার বোনের বাড়ি শরীয়তপুর বেড়াতে গেলে ফতুল্লা থানার এসআই (উপ-পরিদর্শক) শামীম হোসেন মামুন হত্যাকাণ্ডের (মামলা নং- ৯(২)২৫) ঘটনায় আমাকে সন্দেহভাজন আসামি হিসেবে গ্রেফতার করে নিয়ে আসে। পথিমধ্যে গাড়িতে আমাকে লাঠি দিয়ে ব্যাপক মারধর করে এবং মামুন হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে আমাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে। তবে এ বিষয়ে ‘আমি কিছু জানিনা’ বললে সে আমার ওপর শারিরীক নির্যাতনের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। পরবর্তীতে আমাকে থানায় নিয়ে হাত-পা বেঁধে ফের মারধর করে এবং আমার চেহারায় মরিচের গুরো দিয়ে দেয়। এমনকি তিনি আমার পুরুষাঙ্গে বিদ্যুতিক শক দিয়ে আমাকে আদালতে মিথ্যা স্বীকারোক্তি দিতে বলে। তাছাড়া এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনার সাথে আমি জড়িত নই।
তিনি আরও বলেন, আমি জানিনা এই এস আই শামীমের সাথে আমার শত্রুতা রয়েছে কিনা। সে যখন আমাকে ফরিদপুর থেকে ধরে এনে বেধড়ক মারধর করে। মারধরের সময় এস আই শামীম আমাকে বলেন, ‘৫ আগস্টের আগে হলে তোকে গুলি করে মেরে ফেলতাম।’ আমার মনে হয় সে আওয়ামী লীগের দোসর। সে আমার সাথে অনেক খারাপ ব্যবহার করেছে। আমাকে ঝুলিয়ে পিটিয়েছে। এমনকি সে আমার স্ত্রীর সাথে সহবাস করতে চেয়েছিল। রমজান মাসে সে আমাকে রোজা রাখতে দেয়নি। শুধু পানি খেয়ে রোজা রাখতে হয়েছে। রোজা অবস্থায় সে আমাকে মারধর করতো। এমনকি আমাকে কোর্টে আনা হলে আমার আত্নীয় স্বজনদের সাথে সে দেখা করতে দেয়নি।
মানববন্ধনে আরও উপস্থিত ছিলেন ট্রাক চালক মো. দেলোয়ার, রাব্বি, মোখলেছ, জসিম, সুমন, মনির, ট্রাক চালক সহকারী মো. সাগর, হৃদয়, আলামিন সহ প্রমুখ।
জানা গেছে, গত ৬ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাতে ফতুল্লায় রেললাইনের ওপর নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. মামুন হোসাইনকে (৪০) গুলি করে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনার একদিন পর নিহতের স্ত্রী ইয়াসমিন আক্তার বাদী হয়ে ১১ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও ৮-১০ জনকে আসামি করে ফতুল্লা মডেল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করে। সেই মামলায় মো. জুয়েলকে সন্দেহভাজন হিসেবে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে জামিনে মুক্তি পেয়ে তিনি এই পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ তোলেন।
এ ঘটনায় ইতোমধ্যে জেলা পুলিশ সুপার ও জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী ট্রাক চালক মো. জুয়েল।
আইন আদালত বিভাগের আরো খবর
-
দশ বছর ধরে দুর্গোৎসবে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সহযোগিতা করছেন কাউন্সিলর প্রার্থী দিদার
-
জাকির খান আমাকে কাউন্সিলর প্রার্থী হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন : দিদার খন্দকার
-
প্রকাশ্যে গুলি করে শীর্ষ সন্ত্রাসীকে হত্যার অভিযোগ
-
সদর উপজেলাতে ধারাবাহিকভাবে খেলাধুলা পরিচালনার চেষ্টা থাকবে : রিয়াদ চৌধুরী
-
পিস্তল-শটগান ফেরত পেয়ে এমপি ও ডিসি-এসপিকে সোহাগের ধন্যবাদ
-
মতিন চৌধুরী ও জাকির খান ছিলেন নানা-নাতি : দিদার খন্দকার
-
আ. লীগ আমলে কারবরণ করা ব্যক্তি কিভাবে ওই দলের অর্থদাতা হয়, প্রশ্ন সেলিম প্রধানের স্ত্রীর
-
গুপ্তদের কঠোর হুঁশিয়ারি দিলেন মামুন মাহমুদ
-
সরকারের ইতিবাচক উদ্যোগ দেশবাসীর মনে নতুন আশার সঞ্চার করেছে : আজাদ
-
চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে উদ্যোক্তারা নিজেকে ধীরে ধীরে গড়ে তোলেন : মোহাম্মদ সোহাগ
-
পিস্তল-শটগান ফেরত পেয়ে এমপি ও ডিসি-এসপিকে সোহাগের ধন্যবাদ
-
আ. লীগ আমলে কারবরণ করা ব্যক্তি কিভাবে ওই দলের অর্থদাতা হয়, প্রশ্ন সেলিম প্রধানের স্ত্রীর
-
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে যুবদল নেতা রনির স্যালুট
-
অপহরণ মামলার দ্রুত নিষ্পত্তি চেয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ব্যবসায়ী সোহাগের আবেদন
-
একতা মার্কেট দখলের নেপথ্যে এমপিপুত্র আশার হাত রয়েছে জানালেন হিরন
-
ফতুল্লায় মাদ্রাসা দুর্ঘটনায় দগ্ধ আতিয়ার পর জিদনির মৃত্যু
-
ফ্যাসিস্ট সরকার হিন্দুদের বিএনপি থেকে দূরে রেখেছিল : রাকিব
-
নৈরাজ্যকারীদের প্রতিহত করার হুঁশিয়ারি দিলেন এমপি আজাদ
-
নারায়ণগঞ্জের হিরো মোস্তাফিজুর রহমান ফাউন্ডেশনের রাকিব
-
ফতুল্লায় আ.লীগ-বিএনপির সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধসহ আহত ১০
আপনার মতামত লিখুন :