মতিন চৌধুরী ও জাকির খান ছিলেন নানা-নাতি : দিদার খন্দকার


BANGLAR NARAYANGANJ | Banglar Narayanganj প্রকাশিত: Aug 9, 2026 মতিন চৌধুরী ও জাকির খান ছিলেন নানা-নাতি : দিদার খন্দকার
স্টাফ রিপোর্টার: নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির ১৪নং ওয়ার্ডের সভাপতি দিদার খন্দকার বলেছেন, নারায়ণগঞ্জের অভিভাবক আব্দুল মতিন চৌধুরী সাথে আমার নেতা জাকির খানের সম্পর্ক ছিলো নানা-নাতি। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী থাকা কালে মতিন চৌধুরী সাথে তার খুব ভালো সম্পর্ক ছিল। বেগম খালেদা জিয়ার নিদের্শনায় আমাদের জাকির খান নারায়ণগঞ্জের পাচঁটি আসনে ধানের শীষ মার্কাকে জয়ী করিয়েছিলেন।

রোববার (৯ আগস্ট) বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য, সাবেক স্বরাষ্ট্র পাট বস্ত্র মন্ত্রী ও নারায়ণগঞ্জ-১ আসনের সাবেক এমপি আব্দুর মতিন চৌধুরীর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে জাকির খানের উদ্যোগে দোয়া ও মিলাদ অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, নারায়ণগঞ্জ পৌরসভার যখন প্রথম নির্বাচন হয়- নির্বাচনের প‚র্বে আব্দুল মতিন চৌধুরীর বাসায় বিএনপি নেতৃবৃন্দদেরকে নিয়ে এক ঘরোয়া বৈঠকে বসেন। সেখানে বিএনপির কোন নেতা আইভীর বিপক্ষে নির্বাচনে দাঁড়াতে চাননি, ঠিক তখনই আব্দুল মতিন চৌধুরী নারায়ণগঞ্জের নেতাদের বলেন, ‘আমি একজন প্রার্থী দেব যে প্রার্থী নির্বাচনে বিজয় ছিনিয়ে আনবে।’ তখন নেতারা জানতে চান, কে সেই প্রার্থী? তখন আব্দুল মতিন চৌধুরী বলেন, ‘জাকির খান আমার প্রার্থী’। ঠিক তখনই বিএনপি'র কুলাঙ্গার এক নেতা বলে উঠলেন আমি নির্বাচন করবো। তারপরে আমরা দেখতে পেলাম নারায়ণগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচন বিএনপির হাতছাড়া হয়ে গেল, সেই থেকে আজ পর্যন্ত নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের আমাদের প্রার্থী নির্বাচনে বিজয় ছিনিয়ে আনতে পারেননি। তাই আমি কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দদেরকে আহ্বান জানাবো, ‘আগামীতে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে এমন একজন প্রার্থী দিবেন যিনি সর্বজন জনপ্রিয়, সর্বজন গ্রহণযোগ্য একজন নেতা- যাকে বিএনপির সকল নেতৃবৃন্দ সমর্থন করেন। 

তিনি আরও বলেন, খালেদা জিয়া জীবিত থাকাকালে নারায়ণগঞ্জের পাঁচটি আসনে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে জাকির খানের নেতৃত্বে ১শটি গাড়িবহন নিয়ে চষে বেরিয়েছিলাম। ঠিক তখনই শামীম ওসমান জাকির খানকে গ্রেফতার করার জন্য প্রশাসনকে ব্যবহার করেন। তখন শামীম ওসমান প্রশাসনকে ব্যবহার করে র‌্যাব দিয়ে জাকির খানের গাড়ি থামিয়ে বিনা অজুহাতে গ্রেফতার করে নিয়ে যান। সেসময় নারায়ণগঞ্জবাসী ক্ষোভে ফুঁসে ওঠে। এবং আইনি প্রক্রিয়া শেষে জাকির খান মুক্ত হবে বের হলে তাকে শুভেচ্ছা জানাতে হাজার হাজার মানুষ সেদিন রাজপথে ভিড় করে। নারায়ণগঞ্জে জাকির খানের জনপ্রিয়তা প্রমাণ করে আগামীতে নারায়ণগঞ্জ মহানগরে জাকির খানকে একটি সম্মানজনক অবস্থান হবে বলে আমরা আশা করি। আমরা সকল ভেদাভেদ ভুলে নারায়ণগঞ্জে একটি শক্তিশালী মহানগর কমিটি হোক- এটাই আমরা কামনা করি।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন প্রধান অতিথি মহানগর বিএনপির সদস্য আহলাদ হোসেন, সভাপতিত্ব করেন জেলা ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম রতন। আর বক্তব্য রাখেন সুজন মাহমুদ এরশাদ, অ্যাডভোকেট রাজীব মন্ডল, জিয়াউর রহমান জিয়া, পারভেজ মল্লিক সহ প্রমুখ