ফতুল্লার ওসির বিরুদ্ধে ঘুষ লেনদেনের মিথ্যা অপপ্রচার, ব্যবসায়ীর ক্ষোভ


BANGLAR NARAYANGANJ | Banglar Narayanganj প্রকাশিত: May 9, 2026 ফতুল্লার ওসির বিরুদ্ধে ঘুষ লেনদেনের মিথ্যা অপপ্রচার, ব্যবসায়ীর ক্ষোভ
নারায়ণগঞ্জের এক ব্যবসায়ীকে জড়িয়ে ফতুল্লা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুব আলমের ঘুষ নেওয়ার মিথ্যা তথ্য দিয়ে একটি মহল মিথ্যা অপপ্রচার চালিয়েছে। তবে এ বিষয়টিকে মিথ্যা ও বানোয়াট দাবি করে ওই ব্যবসায়ী অপপ্রচারকারীদের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করেছেন।

এ ঘটনায় শনিবার (৯ মে) ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী মোহাম্মদ আব্দুল মান্নান ফতুল্লা থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন। 

ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী মোহাম্মদ আবদুল মান্নান (সাহাদাত) (৪৮) নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ১৪ নং ওয়ার্ড এর আমলাপাড়া এলাকার মোঃ আবুল খায়েরের ছেলে।

লিখিত অভিযোগে মোহাম্মদ আব্দুল মান্নান (সাহাদাত) বলেন, আমি একজন ব্যবসায়ী। আমি ব্যক্তিগত প্রয়োজনে পূর্ব পরিচিত চাঁদপুর মতলবের জৈনক মনির ভাইয়ের সাথে সাক্ষাতের উদ্দেশ্যে গত ৮মে  সন্ধ্যার পরে ঢাকা মহানগরীর নয়াপল্টনস্থ দি ক্যাপিটাল হোটেলের ২য় তলায় রেস্টুরেন্টে যাই। সেখানে গিয়ে মনির ভাইয়ের সাথে ফতুল্লা থানার অফিসার ইনচার্জ (ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) মাহবুব আলম সহ মনির ভাইয়ের কিছু বন্ধু-বান্ধবদের দেখতে পাই। ফতুল্লা থানার অফিসার ইনচার্জ এর সাথে মনির ভাইয়ের বিভিন্ন বিষয়ে কথা হয়। তবে আমার বিষয়ে কোন প্রকার আর্থিক লেনদেনের আলোচনা হয়নি এবং লেনদেন করিনি। 

এদিকে গত ৯ মে ভোর ৬ টায় মর্নিং ওয়াক করার সময় ফতুল্লা থানাধীন তোলারাম কলেজ রোডে থাকা অবস্থায় ফেসবুকে স্ক্রল করার সময়ে উক্ত সাক্ষাতের বিষয়কে কেন্দ্র করে অজানা একটি ফেসবুক পোর্টালে ফতুল্লা থানার অফিসার ইনচার্জ কে নিয়ে ওই দিন আর্থিক লেনদেনের মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য ফেসবুকে দেখতে পাই। কিন্তু উক্ত তথ্যটি সঠিক নয়, সম্পূর্ণ বানোয়াট তথ্য। আমার ধারণা, অজ্ঞাত কোন একটি মহল তাদের ব্যক্তিগত স্বার্থে ও হীন উদ্দেশ্যে আমার ক্ষতি করার জন্য এবং ফতুল্লা থানার অফিসার ইনচার্জ এর বিষয়ে মিথ্যা অপপ্রচার চালিয়েছে। এ ঘটনায় দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ করা হলো।

ফতুল্লা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুব আলম বলেন, এটা মিথ্যা ও বানোয়াট অভিযোগ। এই ধরনের টাকা লেনদেনের কোন ঘটনা ঘটেনি। এই মিথ্যা অপপ্রচারের বিষয়ে উক্ত ব্যবসায়ী থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন।

তিনি আরও বলেন, অস্ত্র মামলার পলাতক আসামি রাসেল, রাশেদ ও দিদার। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে জানতে পারি রাসেল ও রাশেদ মতিঝিল পল্টন এলাকায় অবস্থান করছে। সেই তথ্যের ভিত্তিতে ওই দিন আমি রাজধানীর নয়াপল্টন এলাকায় ওই রেস্তোরায় যাই। সেখানে আমার পরিচিত বিএনপি নেতা উজ্জ্বল ফরাজী, মামুন ও মনির ভাইয়ের সাথে দেখা হয়। এ সময় তাদের পরিচিত ব্যক্তি আব্দুল মান্নান সাহাদাত সেখানে উপস্থিত হয়। তবে সেখানে কোন লেনদেনের ঘটনা ঘটেনি।