৭ ঘণ্টা পর নারায়ণগঞ্জে বাস চলাচল স্বাভাবিক

দীর্ঘ সাত ঘণ্টা পর নারায়ণগঞ্জ থেকে সব রুটে যাত্রীবাহী বাস চলাচল শুরু হয়েছে। এতে যাত্রীদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। রবিবার (৪ ফ্রেব্রুয়ারি) দুপুর ৩টা থেকে বাস চলাচল শুরু হয়। 

এর আগে, সকাল ৭টা থেকে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ সহ ২টি রুটের বাস চলাচল বন্ধ ছিল। এতে ভোগান্তীতে পড়েছেন যাত্রীরা। 

নারায়ণগঞ্জে চলাচলকারী যাত্রীবাহী বাস গুলো হলো- ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ রুটে বন্ধন পরিবহন, উৎসব পরিবহন, আনন্দ পরিবহন, শীতল পরিবহন ও বিআরটিসি। আর চিটাগাং রোড-নারায়ণগঞ্জ রুটে বাঁধন ও বন্ধু পরিবহন রয়েছে। 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকাল থেকে বন্ধন, উৎসব, আনন্দ, বন্ধু ও বাঁধন পরিবহন বন্ধ ছিল। আর শীতল পরিবহন ও বিআরটিসি পরিবহনের বাস চলাচল করতে দেখা গেছে। তবে দুপুর থেকে সব ধরনের বাস চলাচল করতে দেখা গেছে। 

বন্ধন বাসে চড়ে নারায়ণগঞ্জে এসেছেন রবিউল হোসেন। তিনি বলেন, সকাল থেকে বাস চলাচল বন্ধ ছিল। একারণে সিএনজি চালিত অটোরিকশা করে বেশি ভাড়া গুণে ঢাকায় যেতে হয়েছে। তবে বাড়ি ফেরার পথে নারায়ণগঞ্জ বাস চলাচল করতে দেখে বাসে চলে এসেছি।

উৎসব পরিবহনের বাসে চড়ে ঢাকায় যাচ্ছেন ব্যবসায়ী অনিক রহমান। তিনি বলেন, ‘ব্যবসার কাছে ঢাকায় যাচ্ছি। শুনেছি সকাল থেকে বাস চলাচল বন্ধ ছিল। তবে দুপুরে বাস চলাচল স্বাভাবিক পেয়েছি। এখন বাসে চলে ঢাকায় যাচ্ছি।

বাস মালিক সমিতির কার্যকরী সভাপতি মো. রওশন আলী সরকার বলেন, দুপুর থেকে বাস চলাচল শুরু হয়েছে। সব রুটে বাস চলাচল করছে। এ বিষয়ে আগামী সবাই বসে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। 

তিনি আরও বলেন, গতকাল এমপি, মেয়রের সঙ্গে ডিসি ও এসপির মিটিং হয়েছে। সেই মিটিংয়ে অনুমোদনহীন বাস চলাচল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। আমাদের অনেক গাড়ির রুট পারমিট নাই, আবার কিছু গাড়ির রুট পারমিট আছে। একারণে সকাল থেকে বাস চলাচল বন্ধ ছিল। তবে দুপুরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে গিয়েছি । অনেকগুলো গাড়ির রুট পারমিটের জন্য আবেদন করেছি। সেসব গাড়ির রুট পারমিট এখনো পাইনি।

এর আগে, গত শনিবার (৩ ফেব্রুয়ারী) নারায়ণগঞ্জ প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক গোলটেবিল বৈঠকে জেলা প্রশাসক (ডিসি) মাহমুদুল হক বলেন, আমি প্রকাশ্যে ঘোষণা করছি, আগামীকাল থেকে আমি গাড়ি ডাম্পিংয়ে দেওয়া শুরু করবো। রুট পারমিট ছাড়া গাড়ি দেখলেই ডাম্পিংয়ে দিয়ে দেব। রুট পারমিট ছাড়া কোনো গাড়ি নারায়ণগঞ্জে ঢুকবে না।