ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে গাড়ি ভাঙচুর করে ককটেল বিস্ফোরণ, গ্রেফতার ৩

বিএনপির ডাকা অবরোধের তৃতীয় দিনে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ের বিভিন্ন স্থানে আগুন জ্বালিয়ে ও গাড়ি ভাঙচুর করে মিছিল করেছে নেতাকর্মীরা। এ সময় নেতাকর্মীদের কয়েকজন মুখে কাপড় পেঁচিয়ে ককটেল বিস্ফোরণ করেছে। পরে পুলিশ গিয়ে তিন জনকে গ্রেফতার করেছে। 

বৃহস্পতিবার (২ নভেম্বর) সকালে মহাসড়কের সিদ্ধিরগঞ্জের মৌচাক ও সানারপাড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন- 

সিদ্ধিরগঞ্জ থানা বিএনপির সাবেক যুগ্ম-আহ্বায়ক টিএইচ তোফাসহ তিন জন।

পুলিশ, স্থানীয় ও দলীয় সূত্রে জানা গেছে, জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মামুন মাহমুদের নেতৃত্বে মহাসড়কের মাদানীনগর এলাকায় টায়ার জ্বালিয়ে অগ্নিসংযোগ করে মিছিল করেছে। এ সময় পুলিশ ধাওয়া দিয়ে বিএনপি তিন জন নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করেছে। অন্যদিকে মহাসড়কের সিদ্ধিরগঞ্জ সাজেদা হাসপাতালের সামনে জেলা কৃষকদলের নেতাকর্মীরা দুটি বাস ভাঙচুর করে সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে অবরোধ করেন। তবে মহাসড়কের একাধিক স্থানে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে বলে একাধিক সূত্র জানিয়েছে।

নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ বলেন, সকালে মাদানীনগর এলাকা থেকে আমরা মিছিল বের করেছি। পরে পুলিশ এসে আমাদের চারজন নেতাকর্মীকে আটক করেছে। টিএস তোফা, রুবেল, দেলোয়ার হোসেন সহ চারজনকে আটক করেছে। 

তবে ককটেল বিস্ফোরণের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমাদের নেতাকর্মীদের কেউ ককটেল বিস্ফোরণ করেনি। 

সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম মোস্তফা বলেন, সকালে বিএনপির নেতাকর্মীরা অগ্নিসংযোগ করে মিছিল বের করেছে। এ সময় তিন জন নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করা হয়। তবে ককটেল বিস্ফোরণের কোন ঘটনা ঘটেনি। 

নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার গোলাম মোস্তফা রাসেল বলেন, অবরোধের তৃতীয় দিন যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। তবে আজকে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ ও সিদ্ধিরগঞ্জে বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা ঘটেছে। রূপগঞ্জে অবরোধকারীরা কাভার্ডভ্যানে আগুন দেয়। এ সময় পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে চার জনকে গ্রেফতার করে। এছাড়া সিদ্ধিরগঞ্জে তারা একটি গাড়ি ভাংচুর করার চেষ্টা করে। সে সময় পুলিশ গিয়ে তিন জন কে গ্রেফতার করে। সার্বিকভাবে বলা চলে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।