ট্রলার ডুবির ঘটনায় লাশের সংখ্যা বেড়ে ১০

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি :

মুন্সীগঞ্জের পদ্মার শাখা নদীতে বাল্কহেডের ধাক্কায় ট্রলার ডুবির ঘটনায় তুরান (৮) নামের আরও এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়ালো ১০ জনে।

সোমবার (৭ আগষ্ট) সকাল সাড়ে ৭ টার দিকে দূর্ঘটনাস্থল থেকে ২ কিলোমিটার দূরে সুবচনী বাজার সংলগ্ন এলাকায় পদ্মার শাখা নদীতে ভাসমান অবস্থায় ওই মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

সে একই এলাকার সিঙ্গাপুর প্রবাসী আরিফ হোসেনের ছেলে।

স্বজনরা দাবী করেছেন এখনো নিখোঁজ রয়েছে আরও দুই শিশু।

নিখোঁজ নাফার মামা তরিকুল ইসলাম জানান, আজ সকালে পুলিশ আমাদের ফোন করেছেন আমার ভাগ্নে তুরানের লাল পাওয়া গেছে আমরা এসেছি। আমার আরেক ভাগ্নে এখনও নিখোঁজ রয়েছে।

লৌহজং ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার কয়েস আহম্মেদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, সাড়ে ৭ টার দিকে দূর্ঘটনাস্থল থেকে প্রায় ২ কিলোমিটার দূরে সুবচনী বাজার সংলগ্ন পদ্মার শাখা নদীতে ভাসমান অবস্থায় ফায়ার সার্ভিস ও বিআইডব্লিউটিএ সমন্বয়ে তুরান নামের ৮ বছরের শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিখোঁজের সন্ধানে তল্লাশি অব্যাহত রেখেছে ফায়ার সার্ভিস ও বিআইডব্লিউটিএর টিম।

লৌহজং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল আওয়াল জানান, সকাল সাড়ে ৭ টার দিকে নিখোঁজ আরো এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের স্বজনদের খবর দেওয়া হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাদের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হবে। এখন পযন্ত আরো ২ শিশু নিখোঁজ রয়েছে। তাদের উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

এর আগে, গত শনিবার রাত ৮ টার দিকে মুন্সিগঞ্জ লৌহজং উপজেলা খিদিরপাড়া ইউনিয়নের রসকাঠি এলাকায় পদ্মার শাখা নদীতে বাল্কহেডের ধাক্কায় ৪৬ যাত্রী নিয়ে ডুবে যায় পিকনিকের ট্রলার।