চার্জার ফ্যান বিস্ফোরণ : মৃত্যু বেড়ে তিন

চার্জার ফ্যান বিস্ফোরণ: স্বামীর পর চলে গেলেন স্ত্রীও

ফতুল্লা প্রতিনিধিঃ

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে লাগা আগুনে দগ্ধ বাবা-মায়ের পর মেয়ে সোনিয়া আক্তারও (২৫) মারা গেছেন।

মঙ্গলবার (১৩ জুন) রাত পোনে ১০টায় শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এ নিয়ে এই ঘটনায় তিন জনের মৃত্যু হলো। বার্ণ ইনিস্টিউটের আবাসিক সার্জন মো. তরিকুল ইসলাম এ তথ্য জানান।

সোনিয়ার গ্রামের বাড়ি নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলার দিয়াঘাট গ্রামে। তিনি স্থানীয় একটি পোশাক কারখানায় চাকরি করতেন। তার স্বামীর নাম মো. সেলিম মিয়া।

বার্ণ ইনিস্টিউটের আবাসিক সার্জন মো. তরিকুল ইসলাম বলেন, ‘সোনিয়ার শরীরের ৪২ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল। এর আগে সোমবার (১২ জুন) সন্ধ্যায় তার বাবা সালাম মণ্ডল (৫৫) এবং মঙ্গলবার সকালে মা বুলবুলি বেগম (৪৫) মারা যান। এ ঘটনায় বর্তমানে বাকি দুজন চিকিৎসাধীন। তাদের অবস্থাও আশঙ্কাজনক।’

তিনি বলেন, ‘সালামের ছেলে চিকিৎসাধীন টুটুলের (২২) শরীরের ৬০ শতাংশ এবং নাতনি মেহেজাবিনের (৭) শরীরের ৩৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে।’

এর আগে, গত ৯ জুন সকালে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার কাশিপুরে শর্টসার্কিট থেকে লাগা আগুনে একই পরিবারের পাঁচ জন দগ্ধ হন। পরে তাদের শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়।