কাঁচপুরে বাস টার্মিনালের কাজ আগামী বছরের মাঝামাঝি শেষ হবে: মেয়র তাপস

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস বলেন, ঢাকা নগর আন্ত:জেলা বাস টার্মিনালকে কিভাবে আধুনিক টার্মিনালে পরিণত করা যায় সে লক্ষ্যেও আমরা সব কাজ শুরু করেছি। বর্তমানে কাঁচপুর টার্মিনালের যেভাবে কাজ চলছে, আশা করছি আগামী বছরের মাঝামাঝিতে কাজ শেষ হয়ে যাবে। আমরা যদি এখানে ১৬ জেলার বাস স্থানান্তর করতে পারি তাহলে ঢাকা শহরের যানজট অনেকটাই কমে যাবে। এছাড়া বাস চলাচলও অনেকটাই শৃঙ্খলার মধ্যে চলে আসবে।

বুধবার সকালে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ের কাঁচপুর এলাকায় ঢাকা নগর আন্ত:জেলা বাস টার্মিনালের কাজের অগ্রগতি পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন। 

কাজের অগ্রগতির বিষয়ে তিনি বলেন, আন্ত:জেলা বাস টার্মিনাল নির্মাণের জন্য আমরা চারটি স্থান নির্ধারণ করেছি। এরই মধ্যে কাঁচপুরে একটি টার্মিনালের কাজ শুরু হয়েছে। আমি খুব আনন্দিত আমরা যেভাবে আশা করেছিলাম ওইভাবেই কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে। ইতোমধ্যে বালু ভরাটের কাজ শেষ হয়েছে। বাকি কাজ নির্ধারিত সময়েই শেষ হবে। পাশাপাশি আমরা সীমানা প্রাচীরের কাজ শুরু করবো এবং কিছু অবকাঠামোর নির্মাণ কাজ করতে হবে। এর আগে আমরা পরিবহন মালিকদের সঙ্গে বসবো কি ধরনের অবকাঠামো নির্মাণ করলে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করতে সহজ হবে। এর পুরো কাজটা আমরা নিজস্ব অর্থায়নে চালিয়ে যাচ্ছি। 

তিনি আরও বলেন, বর্তমানে যে বাস টার্মিনালগুলো রয়েছে সেগুলো আশির দশকে পরিকল্পনা করা হয়েছিল। তখন শুধুমাত্র টার্মিনাল হিসেবে করা হয়েছিল। এরপর এখানে আন্ত:জেলা এবং সিটি বাস সব একসঙ্গে রাখা হয়েছিল।সেটা এখন কার্যকর না। সেজন্য আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি আন্ত:জেলা বাস টার্মিনালগুলোকে ঢাকার বাহিরে রাখতে হবে। আর ঢাকার মধ্যে যে টার্মিনালগুলো আছে সেখানে শুধু নগর বাসগুলো থাকবে। এভাবে আলাদা করে দেওয়ার ফলে ঢাকা শহরের যানজট অনেকটাই সহনশীল পর্যায়ে চলে আসবে। আর যে কোনো পরিকল্পনা নেওয়ার আগে এটাতে কেমন ধারণক্ষমতা থাকবে তারও পরিকল্পনা নিতে হয়। আশির দশকে যে পরিকল্পনা নিয়ে টার্মিনালগুলো নির্মাণ করা হয়েছিল তা বর্তমানে কার্যকর না হওয়াটাই স্বাভাবিক। আমরা সেজন্য কাঁচপুরের পাশাপাশি আরেকটি স্থানে আন্ত:জেলা টার্মিনাল নির্মাণ করছি। যেনো একটার উপর বেশি চাপ পড়ে না যায়।